বৃহস্পতিবার আইসিটি ক্রিকেট ফাইনাল
বি-ট্র্যাক টেকনোলজিস আইসিটি ক্রিকেট টুর্নামেন্টে এক্সিবিটাস গর্জণের সঙ্গে সেমিতে উঠলো সিএসআই ফাইটার্স, ইনপেইস ও গ্লোবাল অ্যাভেঞ্জার্স। আগামীকাল শ্যামলী ক্লাব মাঠে হবে চূড়ান্ত লড়াই।
বুধবার কোর্টারের শেষ ম্যাচে টস জিতে ব্যাট হাতে ২৫১ রান করে গ্লোবাল অ্যাভেঞ্জার্স। দলের হয়ে ১০টি ছক্বা এবং ৮ টি চারের মারে মাত্র ৩৬ বলে ১০৫ রান করে নাহিদ হাসান গ্লোবাল অ্যাভেঞ্জার্সকে এনে দেয় টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ স্কোর।
জবাবে ই-সেটের সাঈদ সরকার ৭৬ রান সংগ্রহ করলেও ১৫ ওভারেই গুটিয়ে যায় ই-সেট স্ট্রাইকার্স। শফিউল ইসলামের সঙ্গে জুটি বেঁধে ৫৭ বল খেলে ১২০ রান তুলেছিলো ই-সেট। দশম ওভারে পর পর দুইটি উইকেট খুঁয়েছে তারা। মূলত আশরাফুল আর রাজীবের ঘুর্ণিজাদুতে কুপোকাত হয় অন্য ব্যাটসম্যানেরা। এই দুই বোলারই শিকার করেন তিনটি করে উইকেট।
আজ জিতলো সিএসআই ফাইটার্স, ইনপেইস ও গ্লোবাল অ্যাভেঞ্জার্স
ম্যাচ শেষে ম্যান অব দ্য ম্যাচ নাহিদ হাসানের হাতে পুরস্কার তুলে দেন টুর্নামেন্টের ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান কাজী আশরাফুল আলম, ব্রি-ট্র্যাক প্রোডাক্ট ম্যানেজার নাবিলা মঞ্জুর এবং বিসিএস সহ-সভাপতি রাশেদ আলী ভূঁইয়া।
তবে এর আগের ম্যাচে ২২০ রানের বিশাল স্কোর করে কোয়ার্টার ফাইনাল টপকে যায় সি.এস.আই ফাইটার্স। ২২০ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে জাব্রা প্যানাকাস্ট সব উইকেট হারিয়ে সংগ্রহ করে ১৮২ রান। ৩৭ রানের ব্যবধানে জয়ী হওয়া সি.এস.আই ফাইটার্স দলের ম্যান অব দ্যা ম্যাচ হন সাব্বির আহমেদ।
আইসিটি ক্রিকেট টুর্নামেন্টের আয়োজক কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক মোঃ আকতারুজ্জামান টিটো এবং বি-ট্র্যাক টেকনোলজিস এর প্রোডাক্ট অ্যান্ড বিজনেস ডেভেলপমেন্ট ম্যানেজার রকিবুল ইসলাম রনি ম্যান অব দ্যা ম্যাচের ট্রফি এবং প্রাইজ মানি হস্তান্তর করেন।
কোয়ার্টার ফাইনালের তৃতীয় ম্যাচে টস জিতে ফিল্ডিং এর সিদ্ধান্ত নিয়েছিলো রেড্রাগন ওয়ারিয়র্স। শুরুতেই চাপের জ্বলে ওঠেন ওয়ারিংর্স বোলাররা। সাফায়েতের তালুবন্দি হন উদ্বোধনী ব্যটসম্যান আরিফুল ইসলাম অপয়া ১৩ রানে । ইমনের বলে ইমরান জহিরও সাজঘরে ফেরেন দ্বিতীয় ওভারে।
৫৩ রান সংগ্রহ করতেই ৪টি উইকেট হারিয়ে ব্যাকফুটে চলে গিয়েছিল ইনপেইস। তবে পঞ্চম উইকেটে ইয়াছিন ভূইয়া এবং রাজিন নুরুদ্দিনের দূর্দান্ত জুটিতে প্রতিষ্ঠার ২৫ বছর রাঙাতে সক্ষম হয় ইনপেস ব্যাটাররা। নির্দিষ্ট ওভাবে এই দুই ব্যাটারের বদৌলতে ইনপেস পৌঁছে যায় ২০২ এ।
কেননা ৭ উইকেট হারিয়ে ১৫৬ রানের বেশি সংগ্রহ করতে পারেনি রেড্রাগন ওয়ারিয়র্স। ইনপেইস বোলার মাইদুল ও ইমনেই অনেকটা কুপোকাত হয় রেড্রাগন। ৪ ওভারে ৩৪ রান ৩ ইউকেট শিকার করে মাইদুল। সমান বলে ৩৬ রান দিয়ে ২টি উইকেট নেয় ইমন। আর সাকলায়েন নিয়েছে ১টি উইকেট।
ফলে ম্যাচ শেষে ৪৫ রানের ব্যবধানে জয়লাভ করে ইনপেইস। আর দলের পক্ষে ১৫টি ছক্কা এবং ২ টি চারের মারে মাত্র ৩৫ বলে ১০৯ রান করে রাজিন নুরুদ্দিন হয়েছেন ম্যান অব দ্যা ম্যাচ। তার হাতে ক্রেস্ট ও প্রাইজ মানি তুলে দেন বি-ট্র্যাক টেকনোলজিস লিমিটেড এর পার্টনার ম্যানেজমেন্ট বিটুবি এর ডেপুটি ম্যানেজার মো. আল আমিন সিকদার এবং গ্লোবাল ব্র্যান্ড প্রাইভেট লিমিটেড জেনারেল ম্যানেজার সমীর কুমার দাস।







